পথচারী ০৬ ই জানুয়ারি, ২০০৭ রাত ১০:৩২
হিমছড়ি-------
কক্সবাজার সি বীচ থেকে সাগরের নয়নাভিরাম তীর ঘেঁেষ এগিয়ে গেলেই দেখা মেলে হিমছড়ি পর্যটন কেন্দ্রের। কলাতলী থেকে মাত্র 6 কিলোমিটার দূরত্ব এই স্থান টির।
মেরিন ড্রাইভের রাস্তার একপাশে পাহাড় আর একপাশে সাগরের বালুর মাঝ দিয়ে এগিয়ে গেছে সুন্দর পিচ ঢালা রাস্তা।
ভেঙেছে কয়েরবারই এই রাস্তা। তবে বর্তমানে যে জায়গাটুকু বেশী ভাঙ্গে সেজায়গাটি তে সাগর তীর ছেড়ে একটু বাইপাস রাস্তা করে দেয়া হয়েছে । এই 1/2 কিমি রাস্তা বাদে বাকীটাই সাগরের হাওয়া গায়ে মেখে এগিয়ে যেতে হয়।
পথে চোখে পড়ে ছোটখাট দুতিনটে ঝর্ণা পাহাড়ের গা ঘেঁেষ।
আর হিমছড়িতে যে সুন্দর ( যদিও ছোট) ঝর্ণাটা আছে সেটা ছবিতে ধারন করে পাঠালাম আপনাদের জন্যে ।
তিন বছর আগে 2004 এ যখন এসেছিলাম তখন এই মেরিন ড্রাইভ ছিলনা। মনে আছে চাঁদের গাড়ীতে করে বালুর ইপর দিয়ে যেতে হয়েছিল। তখন ওখানে কোন সরকারী পৃষ্ঠপোষন ছিলনা। এখন পর্যটন এর অধীনে।
তাইতো 10 টাকা দিয়ে ঢুকতে হয় ঝর্ণা দেখতে ....আর অতি খাড়া সিড়ি বেয়ে উঠতে হয় ..হিমছড়ির পাহাড়ে। প্রায় 217টির মত ধাপ সিড়িতে।
হার্টের রোগী রা বা অ্যাজমার রোগীরা একটু সাবধানে উঠবেন। সিড়িগুলো এতই খাড়া সবাই হাঁপাতে বাধ্য হয় উপরে উঠে। কিন্তু সব কষ্টই দূর হয়ে যায় যখন উপর থেকে সাগরের দিকে তাকিয়ে ভরে ওঠে মন প্রাণ।
কক্সবাজার এলে হিমছড়ি না ঘুরে কি আর আসা যায়।
কক্সবাজারে নির্বাসনের কালে প্রায় প্রতি মাসেই যাওয়া হচ্ছে আমার । প্রতিবারই লাগে ভাল।
তারপরও একটু কষ্ট ---এতবড় সী বীচ আমাদের ..কিন্তু ঘোরার জায়গা আসলেই কত কম!
http://www.somewhereinblog.net/blog/pothocharyblog/28692994
No comments:
Post a Comment