Monday, November 17, 2008

বাংলাদেশ কে দেখুন, ঘুরে আসুন সেন্টমার্টিন দ্বীপে

টাকাআনাপাই ২৫ শে মে, ২০০৮ দুপুর ২:০০

যাদের পাহাড় সম্পর্কে দুর্বলতা আছে, তাদের মন নাকি সমুদ্র টানে না। আবার সমুদ্রবিলাসীরা নাকি পাহাড়চূড়ার মাঝে সৌন্দর্যের খোঁজ পায় না। কিন্তু তা বুঝব কেমন করে? সেটা বোঝার জন্য পাহাড় আর সমুদ্রের কাছে না গিয়ে তো উপায় নেই। তবে তার খোঁজটা চলুক না কেন?

বিতর্ক হচ্ছে সমুদ্র দেখতে কক্সবাজার, নাকি সেন্টমার্টিনস? মনটা যদি সমুদ্রকাব্যে ভাবুক হয়ে থাকে, তবে কক্সবাজার আর সেন্টমার্টিনস যেখানেই হোক না কেন, উড়– উড়– করে সোজা চলে যাবেন। তাই হয়তো সমুদ্র দেখলেই সবকিছু ভুলে তার মাঝে মিশিয়ে দিতে ইচ্ছে করে নিজেকে।

মানুষ এ জন্যই ১২০ কিলোমিটার দীর্ঘ কক্সবাজার সমুদ্রসৈকত পার হয়ে বঙ্গোপসাগরের বুকে আশ্চর্য সুন্দর প্রবাল দ্বীপ সেন্টমার্টিনসে ছুটে যায়। বাংলাদেশের মূল ভূখণ্ডের শেষ স্থলভাগ বদরমোকাম থেকে দক্ষিণে ১২ কিলোমিটার দূরে সাগরের বুকে সেন্টমার্টিনস। মিয়ানমার উপকুল থেকে পশ্চিমে সোজাসুজি এর দূরত্ব ১৪ কিলোমিটার। আর টেকনাফ থেকে যাওয়ার পথে পার হতে হবে দক্ষিণে নয় কিলোমিটার।

কক্সবাজার বাস টার্মিনাল থেকে প্রতিদিন সকাল সাতটায় টেকনাফের উদ্দেশে বাস ছাড়ে। ভাড়া জনপ্রতি ৬০ থেকে ১০০ টাকা। পথটুকু মাইক্রোবাস বা প্যাকেজ ট্যুরের মাধ্যমেও যাওয়া যায়। স্থানীয় প্যাকেজগুলোয় ৬০০ থেকে ২০০০ টাকা অবধি খরচ পড়বে। টেকনাফের সরু পাহাড়ি পথ উঁচু-নিচু, এঁকেবেঁকে চলে গেছে।

যেতে যেতে চোখে পড়বে ছোট-বড় টিলা ও পাহাড়। সেই টিলার মাঝেমধ্যে আদিবাসী মানুষ, তাদের জীবনযাত্রা আমাদের মতো শহুরে মানুষের জীবনের হিসাবনিকাশ ভুল করিয়ে দেয়। আগে সেন্টমার্টিনসে যাওয়া ছিল রীতিমতো ঝক্কি-ঝামেলার। সাগর পেরোতে হতো ইঞ্জিনচালিত নৌকা বা ট্রলারে।

এখন বেশ কিছু জাহাজ বন্দরে অপেক্ষা করবে আপনার জন্য। সকাল সাড়ে নয়টার দিকে রওনা দেয় সি-ট্রাক, কেয়ারি সিন্দাবাদ, ফারহিন ও কুতুবদিয়া নামের জাহাজগুলো। ১০টার দিকে পাওয়া যাবে জাহাজ ঈগল। আসা-যাওয়ার ভাড়া ৩০০ থেকে ৬০০ টাকা।

জাহাজে উঠে মনে হবে সবুজ পাহাড়, আসমানি আকাশ আর নীল সমুদ্র জড়াজড়ি করে ভূস্বর্গ তৈরি করে রেখেছে। ভেঁপু বাজিয়ে জাহাজ রওনা হবে দ্বীপের পথে। অবাক করে দিয়ে সঙ্গী হবে একঝাঁক সামুদ্রিক নাম না জানা পাখি। জাহাজের সঙ্গে যেন এক দৌড়ের পাল্লা।

পাখিগুলো কিসের খোঁজে যেন জোরে উড়ে গিয়ে জাহাজের ডেকের কাছে চলে আসে। তারপর গতি কমিয়ে আবার পেছনে পড়ে যায়। কিছুণ পর বোঝা যাবে স্রোত কেটে যাওযার পথে জমে থাকা মাছের ঝাঁকের জন্য পাখিগুরো চলছে জাহাজের প

http://www.somewhereinblog.net/blog/akgroup/28802560

No comments: